******বাজারের সেরা ১০ সানস্ক্রিন******
গরমের সুপরিচিত একটি সমস্যা হল সানবার্ন। আর এই সানবার্নের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার সেরা উপায় হল সানস্ক্রিনের ব্যবহার করা। সানস্ক্রিন লোশানে এসপিএফ (SPF) বিদ্যমান যা সূর্যের আলট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে আপনার ত্বককে রক্ষা করে। এই এসপিএফ (SPF) এর পূর্ণ রূপ হল সান প্রোটেকশান ফ্যাক্টর(sun protection factor)। এসপিএফ ৭০ পর্যন্ত সানস্ক্রিন লোশন আমাদের বাজারে পাওয়া যায়। যখন আপনি রোদে বের হবেন তার ৩০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন লোশন ব্যবহার করুন, যাতে লোশন ত্বকের সাথে ভালভাবে মিশে যায়।
সানবার্ন সাধারণত রোদে বের হওয়ার ১৫-২০ মিনিটের মধ্যে শুরু হয়। সারাদিনের জন্য হলে এসপিএফ ৪৫ হওয়া ভালো। যে ত্বকে তেলতেলে ভাব আছে সেই ত্বকে কম এসপিএফ সম্পন্ন সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। শুষ্ক ও স্বাভাবিক ত্বকের জন্য ময়েশ্চারযুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করা যেতে পারে। বাজারে বিভিন্ন ধরনের সানস্ক্রিন লোশন পাওয়া যায়। এখানে কয়েকটি সানস্ক্রিন লোশানের নাম দেওয়া হল যা সারাবিশ্ব জুড়ে বেশ সমাদৃত এবং আমাদের দেশের আবহাওয়ার সাথে মানিয়ে যায়।
বাজারে সেরা ১০ সানস্ক্রিনের নাম
No-01 লোটাস হারবাল সেইফ সান ৩ ইন ১ ম্যট-লুক ডেইলি সান ব্লক পিএ+++ এসপিএফ-৪০(Lotus Herbals Safe Sun 3 In 1 Matte-Look Daily Sun
block PA+++ SPF-40):
বতর্মানে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি সানস্ক্রিন লোশনের নাম হল লোটাস হারবালের এসপিএফ-৪০ । এটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য খুবই উপকারি।তবে সব ধরণের ত্বকে এটি ব্যবহার করা যাবে না। এই এসপিএফ ৪০ বাংলাদেশের আবহাওয়া উপযোগী এবং ত্বকে কালো দাগ পড়া থেকে রক্ষা করে।
বতর্মানে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি সানস্ক্রিন লোশনের নাম হল লোটাস হারবালের এসপিএফ-৪০ । এটি তৈলাক্ত ত্বকের জন্য খুবই উপকারি।তবে সব ধরণের ত্বকে এটি ব্যবহার করা যাবে না। এই এসপিএফ ৪০ বাংলাদেশের আবহাওয়া উপযোগী এবং ত্বকে কালো দাগ পড়া থেকে রক্ষা করে।
No-02 নিউট্রিজিনা আলট্রা শেয়ার ড্রাই- টাচ লোশন (Neutrogena Ultra Sheer
Dry-touch Lotion):
নিউট্রিজিনা নিয়ে এসেছে আলট্রা শেয়ার ড্রাই- টাচ লোশন এসপিএফ 30 যা সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে দেয় পূর্ণ সুরক্ষা।এটি হাতে,মুখে ও পুরো শরীরে ব্যবহার করা যায়। এটির PABA(para-aminobenzoic acid) মুক্ত এবং পানিরোধক। যে কোন প্রকারের ত্বকের জন্য এটি ব্যবহারের উপযোগী।
নিউট্রিজিনা নিয়ে এসেছে আলট্রা শেয়ার ড্রাই- টাচ লোশন এসপিএফ 30 যা সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে দেয় পূর্ণ সুরক্ষা।এটি হাতে,মুখে ও পুরো শরীরে ব্যবহার করা যায়। এটির PABA(para-aminobenzoic acid) মুক্ত এবং পানিরোধক। যে কোন প্রকারের ত্বকের জন্য এটি ব্যবহারের উপযোগী।
No-03 ল্যাকমে ইন টু ফাইভ হাইড্রেটিং সুপার সানস্ক্রিন (Lakme 9 to 5 Hydrating
Super Sunscreen SPF 5):
ভিটামিন বি৩ এবং প্রো ভিটামিন সি-যুক্ত ল্যাকমে ইন টু ফাইভ হাইড্রেটিং সুপার সান্সক্রিন ত্বকের দাগ দূর করে ও রঙ উজ্জ্বল করে।সানস্ক্রিনটি সূর্যের ক্ষতিকর ইউভিএ ও ইউভিবি রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে এসপিএফ ৫০ । ত্বকের পোড়া ও কালচে হওয়া থেকে বিরত রাখে সাথে ত্বকের লাবন্যতা, নমনীয়তা ধরে রাখে ওই সানস্ক্রিন।
No-04 ভিএলসিসি ম্যাট লুক সানস্ক্রিন লোশন এসপিএফ ৩০ পিএ+++(VLCC Matte Look Sunscreen
Lotion SPF 30 PA+++):
এই সানস্ক্রিনটি ত্বককে কোমল করার পাশাপাশি একটি ম্যাট লুক দেয় যা ত্বকের তেলতেলে ভাব দূর করে। এর এসপিএফ ৩০ যে কোন আবহাওয়ায় ব্যবহার করা যায়।
এই সানস্ক্রিনটি ত্বককে কোমল করার পাশাপাশি একটি ম্যাট লুক দেয় যা ত্বকের তেলতেলে ভাব দূর করে। এর এসপিএফ ৩০ যে কোন আবহাওয়ায় ব্যবহার করা যায়।
No-05 লরিয়াল প্যারিস সাবলাইম সান এডভ্যান্সড সানস্ক্রিন এসপিএফ ৫০+( L’Oreal Paris Sublime
Sun Advanced Sunscreen SPF 50+):
অন্য সকল সান্সক্রিন লোশান এর চেয়ে এটি একটু দামী কিন্তু এর এসপিএফ ৫০ ত্বকের সাথে মিশে যায় এবং ত্বকে একটি আলাদা মনোভাব নিয়ে আসে।ম এটি লাগানোর পর ২ ঘণ্টা পর্যন্ত এটা স্থায়ীভাবে প্রোটেকশান দিয়ে থাকে।এটি ব্যবহারের আগে ভালোভাবে মিশেয়ে নিতে হবে। বাইরে যাওয়ার ১৫-২০ মিনিট আগে আলতোভাবে মুখে লাগিয়ে নিতে হবে। মুখমন্ডল ঘেমে গেলে অথবা সাঁতার কাটার পর আবার লাগিয়ে নিতে পারেন।
অন্য সকল সান্সক্রিন লোশান এর চেয়ে এটি একটু দামী কিন্তু এর এসপিএফ ৫০ ত্বকের সাথে মিশে যায় এবং ত্বকে একটি আলাদা মনোভাব নিয়ে আসে।ম এটি লাগানোর পর ২ ঘণ্টা পর্যন্ত এটা স্থায়ীভাবে প্রোটেকশান দিয়ে থাকে।এটি ব্যবহারের আগে ভালোভাবে মিশেয়ে নিতে হবে। বাইরে যাওয়ার ১৫-২০ মিনিট আগে আলতোভাবে মুখে লাগিয়ে নিতে হবে। মুখমন্ডল ঘেমে গেলে অথবা সাঁতার কাটার পর আবার লাগিয়ে নিতে পারেন।
No-06 গারনিয়ার সান কনট্রোল ডেইলি ময়শ্চারাইজার এসপিএফ ১৫(Garnier Sun Control Daily
Moisturizer SPF 15):
এই সানস্ক্রিনটি একটু ব্যবহারে অনেক সময় পর্যন্ত কার্যকরী হয়ে থাকে। এর এসপিএফ ১৫ মূলত এই দেশের আবহাওয়ার উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে। এটি মুখমন্ডল তৈলাক্ত হওয়া থেকে বিরত রাখে।
এই সানস্ক্রিনটি একটু ব্যবহারে অনেক সময় পর্যন্ত কার্যকরী হয়ে থাকে। এর এসপিএফ ১৫ মূলত এই দেশের আবহাওয়ার উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে। এটি মুখমন্ডল তৈলাক্ত হওয়া থেকে বিরত রাখে।
No-07 নিউভা ডিএনএ ড্যামেজ কন্ট্রল (Neova DNA Damage Control
SPF 43) :
এসপিএফ ৪৩ যুক্ত নিউভা ডিএনএ ড্যামেজ কন্ট্রোল শরীরের বাহিরের অংশটুকু সূর্যের আলো থেকে রক্ষা করে। ত্বকের যে স্থানগুলো পুড়ে গিয়েছিল সেই অংশগুলোকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। এটি পানি নিরোধক যা ৮০ মিনিট পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
এসপিএফ ৪৩ যুক্ত নিউভা ডিএনএ ড্যামেজ কন্ট্রোল শরীরের বাহিরের অংশটুকু সূর্যের আলো থেকে রক্ষা করে। ত্বকের যে স্থানগুলো পুড়ে গিয়েছিল সেই অংশগুলোকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। এটি পানি নিরোধক যা ৮০ মিনিট পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
No-08 লা রচি-পসিই এনথিলিওস ৬০ আল্ট্রা লাইট সানস্ক্রিন(La Roche-Posay Anthelios
60 Ultra Light Sunscreen):
লা রচির এনথিলিওস ৬০ আল্ট্রা লাইট সানস্ক্রিনটি সংবেদনশীল ত্বকের জন্য অনেক উপকারী। এটি ত্বককে সূর্যের রশ্নি থেকে রক্ষা করার সাথে সাথে ত্বকের অন্যান্য কোষগুলোকে মেরামত করে থাকে।
লা রচির এনথিলিওস ৬০ আল্ট্রা লাইট সানস্ক্রিনটি সংবেদনশীল ত্বকের জন্য অনেক উপকারী। এটি ত্বককে সূর্যের রশ্নি থেকে রক্ষা করার সাথে সাথে ত্বকের অন্যান্য কোষগুলোকে মেরামত করে থাকে।
No-09 এভীনো নেচারাল প্রোটেকশন সানস্ক্রিন এসপিএফ ৫০(Aveeno Natural Protection
Lotion Sunscreen SPF 50):
এটি মুখ ও পুরো শরীরে ব্যবহার করা যায়। এটি খুব সহজেই যেকোন ত্বকে মিশে যায় বলে তৈলাক্ত ও সংবেনশীল ত্বকের জন্য খুবই উপযোগী। এসপিএফ ৫০ যুক্ত এই সানস্ক্রিনকি ১.৫ ঘণ্টা পর্যন্ত ত্বককে স্থায়ীভাবে সুরক্ষা দেয়। আর এই সানস্ক্রিনটি ৮০ মিনিট পর্যন্ত পানিতেও কাজ করে।
এটি মুখ ও পুরো শরীরে ব্যবহার করা যায়। এটি খুব সহজেই যেকোন ত্বকে মিশে যায় বলে তৈলাক্ত ও সংবেনশীল ত্বকের জন্য খুবই উপযোগী। এসপিএফ ৫০ যুক্ত এই সানস্ক্রিনকি ১.৫ ঘণ্টা পর্যন্ত ত্বককে স্থায়ীভাবে সুরক্ষা দেয়। আর এই সানস্ক্রিনটি ৮০ মিনিট পর্যন্ত পানিতেও কাজ করে।
No-10 আইউর সানস্ক্রিন লোশন এসপিএফ ৩০( Ayur Sunscreen Lotion):
এটি সকল ত্বকের জন্য উপযোগী।এটি সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্নি থেকে রক্ষা করার সাথে সাথে সানব্লক, ত্বকের কালো দাগ দূর করে ত্বকে ফর্সাভাব নিয়ে আসে।
এটি সকল ত্বকের জন্য উপযোগী।এটি সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্নি থেকে রক্ষা করার সাথে সাথে সানব্লক, ত্বকের কালো দাগ দূর করে ত্বকে ফর্সাভাব নিয়ে আসে।
**********যেভাবে সানস্ক্রিন বাছাই করবেন-
সানস্ক্রিন আমাদের ত্বক সুন্দর রাখার জন্য বছরের সব সময় যে জিনিসটি ব্যবহার করা আমাদের সকলের উচিৎ । গ্রীষ্ম,শীত, বর্ষার কোনো সময়েই সানস্ক্রিনের ব্যবহার বন্ধ করা ঠিক নয়। অবশ্যয় গ্রীষ্ম এবং শীতকালে। আবহাওয়ার বিরূপ প্রতিক্রিয়া এবং কড়া রোদ ত্বকে ছাপ ফেলে খুব ক্ষতি করতে পারে। সেজন্য আমাদের উচিত ত্বকের ধরন বুঝে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা । আসুন আজ জেনে নেয় কোন ধরনের ত্বকের জন্য কোন ধরণের সান্সক্রিন ব্যবহার করা উচিৎ---
(i)
তৈল যুক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে-
তৈল যুক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে সাধারণ কোন সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিৎ যাবে না। এতে ত্বকের বড় ধরণের ক্ষতি হতে পারে, বিশেষকরে ব্রনের প্রভাব অতি মাত্রায় বাড়ে। যে ত্বকে তেল-তেল ভাব আছে সেই ত্বকে অবশ্যই পানির মাত্রা অনেক বেশি থাকে। এজন্য ওয়াটার বেইজড সানস্ক্রিন বেছে নিতে হবে। এতে করে রোদ এবং ত্বকের সমস্যা থেকে১০০% মুক্তি পাবেন। সানস্ক্রিনের এস.পি.এফ. অবশ্যই ৩০ এর অধিক মাত্রা ব্যবহার করবেন।
তৈল যুক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে সাধারণ কোন সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিৎ যাবে না। এতে ত্বকের বড় ধরণের ক্ষতি হতে পারে, বিশেষকরে ব্রনের প্রভাব অতি মাত্রায় বাড়ে। যে ত্বকে তেল-তেল ভাব আছে সেই ত্বকে অবশ্যই পানির মাত্রা অনেক বেশি থাকে। এজন্য ওয়াটার বেইজড সানস্ক্রিন বেছে নিতে হবে। এতে করে রোদ এবং ত্বকের সমস্যা থেকে১০০% মুক্তি পাবেন। সানস্ক্রিনের এস.পি.এফ. অবশ্যই ৩০ এর অধিক মাত্রা ব্যবহার করবেন।
(ii)
রুক্ষ ও শুষ্ক ত্বকের জন্য-
শুষ্ক এবং রুক্ষ ত্বকের জন্যও আলাদা ধরণের সানস্ক্রিন ব্যবহার করার প্রয়োজন আছে। রুক্ষ ত্বকে সাধারণ সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে ত্বক আরও বেশি শুষ্ক এবং রুক্ষ হয়ে যেতে পরে। এজন্য রুক্ষ এবং শুষ্ক ত্বকের জন্য ময়েসচারাইজার সমৃদ্ধ সানস্ক্রিন বেছে নিতে হবে। একই সাথে এস.পি.এফ. ৩০ মাত্রার অবশ্যয় অধিক সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে।
শুষ্ক এবং রুক্ষ ত্বকের জন্যও আলাদা ধরণের সানস্ক্রিন ব্যবহার করার প্রয়োজন আছে। রুক্ষ ত্বকে সাধারণ সানস্ক্রিন ব্যবহার করলে ত্বক আরও বেশি শুষ্ক এবং রুক্ষ হয়ে যেতে পরে। এজন্য রুক্ষ এবং শুষ্ক ত্বকের জন্য ময়েসচারাইজার সমৃদ্ধ সানস্ক্রিন বেছে নিতে হবে। একই সাথে এস.পি.এফ. ৩০ মাত্রার অবশ্যয় অধিক সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে।
(iii)
একেবারে সাধারণ ত্বকের জন্য-
একে বারে সাধারণ ত্বকের জন্য সানস্ক্রিন বাছাইয়ের ক্ষেত্রে খুব বেশি ঝামেলা করার প্রয়োজন নেই। কারণ সাধারণ ত্বকের জন্য ৩০ থেকে ৫০ এস.পি.এফ. মাত্রার সানস্ক্রিন অনেক ভালো কাজ করে। সাধারণ ত্বকের জন্য শুধুমাত্র ভালো ওয়াটারপ্রুফ সানস্ক্রিন ব্যবহার করাই উত্তম। এর ফলে ত্বক ঘেমে নষ্ট হয়ে গেলেও সানস্ক্রিন ত্বকে লেগে থাকবেই।
একে বারে সাধারণ ত্বকের জন্য সানস্ক্রিন বাছাইয়ের ক্ষেত্রে খুব বেশি ঝামেলা করার প্রয়োজন নেই। কারণ সাধারণ ত্বকের জন্য ৩০ থেকে ৫০ এস.পি.এফ. মাত্রার সানস্ক্রিন অনেক ভালো কাজ করে। সাধারণ ত্বকের জন্য শুধুমাত্র ভালো ওয়াটারপ্রুফ সানস্ক্রিন ব্যবহার করাই উত্তম। এর ফলে ত্বক ঘেমে নষ্ট হয়ে গেলেও সানস্ক্রিন ত্বকে লেগে থাকবেই।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস অবশ্যয় মনে রাখুন-
****সানস্ক্রিন ক্রয় করবার আগে অবশ্যই ভালো ভাবে দেখে নেবেন মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ।
****অনেকেরই ত্বকের অ্যালার্জির সমস্যা থাকতে পারে। তাই সানস্ক্রিন ক্রয় করবার আগেই উপকরণগুলো কি কি আছে তা ভালো করে পড়ে নিন।
****এক ধরণের সান্সক্রিনে অক্সিবেঞ্জোন, রেটিনাইল পালমিটেট এবং প্যারাবেন্স জাতীয় উপাদান আছে সই সকল সানস্ক্রিন না ক্রয় করাই ভালো। কারণ এই ধরণের উপাদান খবই খারাপ যা ত্বকের ক্যান্সারের জন্য অনেক আংশে দায়ী।
***আরও সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে আমাদের পেজে লাইক দিতে ও শেয়ার করতে ভুলবেন না***

