loading...
৩০বছরের পরে ত্বকের সুন্দরর্য ধরে রাখার ৯টি টিপস্ ~ BD ! All Tips

৩০বছরের পরে ত্বকের সুন্দরর্য ধরে রাখার ৯টি টিপস্



    বয়সের যতই বাড়তে থাকে, তত শরীরে অন্দরে যেমন পরিবর্তন আসে, তেমনি বহিরাংশেও নানান পরিবর্তন হতে থাকে।  দেহের এই ক্ষয়-ক্ষতি শুরু হয় বলা যায় ত্রিশ বছরের পর থেকেই। তাই তো এই সময় শরীর ত্বকের বিশেষ যত্ন রাখাটা জরুরি। না হলে কিন্তু...বিভিন্ন সমস্যা পড়তে হবে।

    আপনি হয়তো প্রশ্ন করে বসতে পারেন, "ত্বককে সুন্দর রাখতে তো সব ব্যবস্থাই নিচ্ছি। তাহলে আলাদা ভাবে আবার কী করার আছে?" আছে, হাতে  অনেক কিছুই করার আছে। যেমন ধরুন এই টিপস এ এমন কিছু নিয়ম সম্পর্কে আলোচনা করা আছে, যা ভালো ভাবে মেনে চললে বয়স বাড়বে কিন্তু ত্বকের সৌন্দর্যের কোনও কুমতি দেখা দেবে না




  1. "C.T.M. ফরমূলা":
     বুঝলেন না তো "C.T.M" মানে কি? C= ক্লিনসিং। মানে মুখ পরিষ্কার রাখা। T= টোনিং এবং M= ময়েসচারাইজিং। প্রতিদিন এই তিনটি জিনিস করলে ত্বকের সৌন্দর্য কোনও দিন নষ্ট হবে না। আসলে পরিবেশ দূষণ এবং খাদ্যাভাসের নানা কারণে দিনের শেষে ত্বকের উপরিঅংশে ক্ষতিকর উপাদানের একটা বিসাল স্থর তৈরি হয়ে। এই স্থর যদি সরানো না যায়, তাহলে একাধিক ত্বকের রোগের প্রকোপ ব্যপক বৃদ্ধি পায়। তাই তো প্রতিদিন ত্বক পরিষ্কার রাখাটা জরুরি। আর ত্বক পরিষ্কারের পর স্কিনের আদ্রতা ফিরিয়ে আনতে টোনিং এবং ময়েসচারাইজিং-এর কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে


2. সময় মতো খাওয়া-দাওয়া করতে হবে:
  প্রতিদিনের ডায়েটে যেন প্রচুর পরিমাণে সবুজ/লাল শাক-সবজি আর কিছু ফলমূল থাকে। কারণ এই খাবারগুলিতে উপস্থিত একাধিক পুষ্টিকর উপাদান ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে সাহায্য করে থাকে। সেই সঙ্গে শরীরে অন্দরে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বাইরে বের করে দেয়। ফলে একাধিক রোগ হওয়ার আশঙ্কাও কমে





3. ভিটামিন EC সপ্লিমেন্ট:
   ত্বককে টানটান রাখতে ভিটামিন C এবং ভিটামিন E সাপ্লিমেন্টের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এই ভিটামিন দুটি ত্বকের ভিতরে কোলেজেনের উৎপাদনের পরিমান বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্কিন উজ্জ্বল এবং প্রাণবন্ত হয়ে ওঠেফলে ত্বক সুন্দর ও উজ্জ্বল দেখায়।





4. ফেস মাস্ক্ হিসেবে দইয়ের ব্যবহার:
  ত্বকের পরিচর্যায় দই ফেস মাস্ক্ দারুন কাজে আসে। এক্ষেত্রে পরিমাণ মতো দই নিয়ে ভাল করে মুখে এবং গলায় লাগিয়ে ফেলুন। ১৫-২০ মিনিট পর হলকা গরম জল দিয়ে মুখ আর গলা ধুয়ে ফেলুন। প্রসঙ্গত, দইয়ের সঙ্গে ইচ্ছা হলে মধু মিশিয়েও মুখে লাগাতে পারেন। এতে বেশি উপকার পাবেন




5. শরীরচর্চা বা ব্যয়াম:
   শুধু শরীর ভাল রাখতেই শরীরচর্চার ভূমিকা রয়েছে তা ঠিক নয়। একাধিক কেস স্টাডি করে পাওয়া গেছে প্রতিদিন সময় মত এক্সারসাইজ করলে অথবা ২০-৩০ মিনিট হাঁটলে ত্বকও পরিষ্কার হয়, সেই সঙ্গে শরীর থেকে সব টক্সিক উপাদান বেরিয়ে যায়, স্ট্রেস কমে এবং ব্রণর প্রকোপ হ্রাস পায়। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই ত্বক সুন্দর হয়ে ওঠে




6. মৃত সব কোষের স্তর সরাতে:
  ত্বককে সুন্দর এবং উজ্জ্বল করে তুলতে সপ্তাহে কম করে ৩-৪ বার স্কার্বিং-এর মাধ্যমে ত্বকের উপরে জমে থাকা মৃত কোষের আবরণ তুলে ধুয়ে ফেলতে হবে। এভাবে যদি নিয়মিত করতে পারেন, তাহলে ত্বকের লাবন্যতা নিয়ে কোনও দিন আর ভাবতে হবে না। প্রসঙ্গত, বাজারে প্রচলিত স্কার্ব ব্যবহার করতে ইচ্ছা না করলে লেবুর রসের সঙ্গে পরিমাণ মতো মধু চিনি মিশিয়ে সেই মিশ্রণ সারা শরীরে লাগিয়ে আলতো ভাবে ভল করে ঘোষুন। এভাবেও মৃত কোষের আবরণ সরে যাবে, আর আপনার ত্বক ফিরে পাবে তার সজিব প্রাণ





7. পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন:
  ত্বক ভিতর থেকে যত আদ্র থাকবে ততই তার উপর বয়সের ছাপ কম পরবে। আর কীভাবে আপনি ত্বককে আদ্র রাখবেন? কিছুই না দিনে কম করে - লিটার জল খেলেই  উপকার মিলবেতবে ৫লিটারের কম হলে ভালো ফল পাওয়া যাবে না।




8. সান্স্ স্ক্রিন ব্যবহার:
  বয়স ৩০ পরলেই এস পি এই- 30 সমৃদ্ধ সানস স্ক্রিন ব্যবহার শুরু করতেই হবে। এমনটা করতে কেন বলা হচ্ছে জানেন? কারণ এই সান্স স্ক্রিন সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ত্বককে রক্ষা করবে। ফলে স্কিন ড্যামেজের আশঙ্কা হ্রাস পায়। সেই সঙ্গে ত্বকের সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পাবেযদিও সান্স স্ক্রিন ১৫ বছরের পর থেকেই রোদের মধ্যে গেলে ব্যবহার করা যায়।







9. ত্বকেরপুষ্টিকর উপাদানের ঘাটতি  না হয় :
   ত্বকের স্বাস্থ্য ও উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে ভিটামিন সি, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সহ আরওঅধিক উপাদনের প্রয়োজন হতে পরে। আর এইগুলি ত্বক পেয়ে থাকে নানা প্রসাধনি সামগ্রির মাধ্যমে। তাই যখনই ত্বকের পরিচর্যার জন্য কোনও কোন বিউটি সামগ্রি কিনবেন, তখনই দেখে নেবেন তাতে ত্বকের উপকারি প্রয়োজনীয় সব উপাদানগুলি ঠিকমত আছে কিনা







*আরও সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে পোষ্টটিতে লাইক দিন এবং শেয়ার করে নিজের টাইমলাইনে রাখুন।*





Previous
Next Post »