loading...
উঁচুতে বা উঠলেই মাথা ঘোরে, শরীর খারাপ লাগে, সমাধানে ১০ টি টিপস! ~ BD ! All Tips

উঁচুতে বা উঠলেই মাথা ঘোরে, শরীর খারাপ লাগে, সমাধানে ১০ টি টিপস!



  


অনেকে আছেন উঁচুতে উঠলে বা ওঠে দাড়ালে নানা ধরনের সমস্যা হয়।  মাথা ঘোরে, গা গোলাতে থাকে, আবার বমিও হয়। এমন হলে চিকিৎসার ভাষায় "ভার্টিগো" বলা যেতে পারে। আসল কথা হলো কানের অন্দরে ভেস্টিবুলার-লেবিরিন্থ বলে একটি সূক্ষ জায়গা রয়েছে, সেখানে সামান্য সমস্যা দেখা দিলেই এমন ধরনের অসুবিধা হতে দেখা দেয়। এসমস্যার কারণে অনেকেই বিভিন্ন ধরণের অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা নিয়ে থাকেন। কিন্তু এই ধরনের রোগের প্রকোপ কমাতে বা সমস্যগুলি সমাধানে কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি দারুন কাজে আসে, যে সম্পর্কে নিন্মে বিস্তারিত আলোচনা করা হলআসুণ দেখা যাক-
এসব হবার কারণগুলি-????

ভার্টিগো বা ব্যালেন্স ডিজঅর্ডার বিভিন্ন কারণে হতে পারে। যেমন-
. ডায়াবেটিস-
. মাত্রতিরিক্ত মদ্যপান-
. হাই কোলেস্টরল-
. ধূমপান-
. কানের ভিতরে সংক্রমণ-
. অ্যানিমিয়া-
. পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হওয়া-
. ডিহাইড্রেশন-
. থাইরয়েড রোগ-
১০. রক্তনালীর রোগ-
১১. মাথায় চোট-
১২. মাইগ্রেন-
১৩. শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি-
১৪. ব্রেন টিউমার-
১৫. মাল্টিপেল স্কেলেরোসিস-
১৬. মোশান সিকনেস-
যা দেখে আমরা বুঝব বা লক্ষণগুলি-???

. মনে হয় সব কিছুই যেন ঘুরছে। যেমনটা ভুমিকম্পের সময় মনে হয়ে থাকে।

. ঠিক মতো হাঁটতে বা দাঁড়াতে সমস্যা হয়।

. মাথা ঘোরা।

. ক্লান্তি।

. সব কিছুই দুটো দুটো দেখা।

. খাবার গিলতে কষ্ট হওয়া।

. শুনতে কষ্ট হবে।

. দৃষ্টিশক্তি কমে যাবে।

.কানে যন্ত্রণা হতে পারে।

১০. মুখ নারাতে কষ্ট হবে

      আসুন জেনে নেয় ভার্টিগোর প্রকোপ কমাতে সহায়তা করে এমন কিছু ঘরোয়া চিকিৎসাগুলি সম্পর্কে-



. ভালো আর্থাৎ৮-১০ ঘুম জরুরি-
  দীর্ঘ দিন সময় মতো না ঘুমলে ভার্টিগোর সমস্যা বৃদ্ধি পাবে। তাই প্রথমেই যে কাজটা প্রয়োজন, তা হল রাতে ভালো ঘুম। কম করে হলেও ৮-১০ ঘন্টা ঘুম  চাই। এমন নিয়োম মেনে চললে দেখবেন রোগ নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে





. ধনের বীজ:
   রাতে ঘুনানোর আগে অল্প করে পানি নিয়ে তার সঙ্গে ১টেবিল চামচ ধনে বীজ এবং ১টেবিল চামচ বৈঁচি গুঁড়ো এক সঙেগ ভাল ভাবে  মিশিয়ে নিন। পরদিন সকালে জলটা ছেঁকে নিয়ে তাতে হাফ টেবিল চামচ মধু বা  চিনি মিশিয়ে জলটা পান করুন। এ ভাবে  কয়েকদিন করলেই দেখবেন ভার্টিগোর কষ্ট কমে যেতে শুরু করবে





. কাজুবাদাম এবং তরমুজের বীজ:
    ভার্টিগোর সমস্যা সমাধানে এই ঘরোয়া পদ্ধতিটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।দেখা যাক, কীভাবে কাজে লাগাতে হবে এই দুটি উপাদানটিকে? কিছু পরিমাণ মতো জল নিয়ে তাতে ৮-১২ টা কাজুবাদাম, ৮-১২ টা তরমুজের বীজ, ২-৩টেবিল চামচ আটা এবং ১টেবিল চামচ পোস্তো মিশিয়ে সারা রাত রেখে দিন। সকালে উঠেই এই মিশ্রত উপাদানকে মিশিয়ে একটা পেস্ট তৈরি করে ফেলুন। এবার একটা বাটিতে ১টেবিল চামচ ঘি নিয়ে সামান্য আঁচে গরম করে নিন। ঘিটা যখন গরম হবে তখন তাতে ২-৩ টা লবঙ্গ ফেলে ভেজে নিন। তারপর ঘি ভাজা লবঙ্গের মধ্যে সকালে উঠেই বানানো মিশ্রিত পেস্টটা যোগ করুন। কিছুক্ষণ সময় পরে অঁচটা বন্ধে করে সবে বানানো মিশ্রনটি দুধে গুলে খেয়ে ফেলুন। কয়েক সপ্তাহ এই মিশ্রনটি টিকমত খেলে আপনার সমাধান  মিলবে






. লেবু:
এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে অল্প করে কয়েকটা গোল মরিচ, এক চিমটি লবন এবং একটা অর্ধেক লেবুর রস মিশিয়ে নিন। ভাল করে পানিতে নারিয়ে নিন, যাতে সবকটি উপাদান ঠিক মতো মিশে একাকার হয়ে যায়। এই পানীয়টি ভার্টিগোর মতো শারীরিক সমস্যাগুলোকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।





. পানির ঘাটতি যেন শরীরে না  থাকে:
    ভার্টিগোকে সমস্যা দূরকরতে শরীরে জলের মাত্রা ঠিক রাখাটা প্রয়োজন। আর কীভাবে করবেন এই কাজটি? খুবই সহজ কথা! প্রতিদিন কম করে ৪-৫ লিটার অথবা ১০-১৫ গ্লাস পানি খেতেই হবে। ভালো কথা, পানি খাওয়ার পাশাপাশি যদি মনে করেন  মাঝে মধ্যে বিভেন্ন জুসও খেতে পারেন








. স্ট্রবেরি খাওয়া যেতে পারে:
     প্রয়োজন মতো দই নিয়ে তাতে কিছু পরিমাণ স্ট্রবেরি মিশিয়ে খেয়ে ফেলুন। এমনটা করলে খুব অল্প সময়েই ভার্টিগোর সমস্যা সমাধান হয়ে যাবেকারণ এতে প্রচুর ক্যালরি থাকে।









. আদা মৌওষধি:
     যখনই দেখবেন ভার্টিগোর সমস্যার কারণে মাথা ঘুরছে বা অন্য কোনও প্রবলেম হচ্ছে, তখনই অল্প পরিমাণ আদা নিয়ে চিবিয়ে খেয়ে নেবেন অথবা আদা চা খেতে পারেন। দেখবেন অল্প সময়ে কষ্ট কমে যাবে






. তুলসি পাতা ফলদায়ক:
    তুলসি পাতা উপস্থিত বেশ কিছু প্রাকৃতিক উপাদান ভার্টিগোর সমস্যা কমাতে দারুন কাজে লাগে। তাই এবার থেকে এমন সমস্যা হলে পরে কয়েকটি তুলসি পাতা চিবিয়ে খাবেন। তাহলেই দেখবেন সমস্যা অনেক কুমে যাবে




. বাদাম সঙ্গে দুধ:
    এতে প্রচুর ফাইবার, ভিটামিন , ভিটামিন বি এবং কার্বোহাইড্রেট এই ধরনের সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান পালন করে এজন্য এক মুঠো বাদাম নিয়ে পরিমাণ মতো পানিতে সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে পানিটা ছেঁকে নিয়ে সংগৃহীত বাদামগুলি বেটে একটা পেস্ট নরম বানিয়ে নিন। এবার সেই পেস্টটা এক গ্লাস গরম দধে মিশিয়ে নিয়ে মিশ্রনটি গরম থাকতে থাকতে পান করুন। এভাবে কয়েক সপ্তাহ  ঔষধিটি পান করলে দেখবেনে আপনার অনেক রোগের সমস্যা কমে যাবে





১০. নিয়মেত যোগ-ব্যায়াম করা:
     ভার্টিগো সমস্যাটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন মেডিটেশন, যোগাসন  এবং হাটাহাটি করতেই হবে। এমনটা করলে দেখবেন জীবনে আর কোনও সময়ই উঁচুতে উঠলে কষ্ট বা এধরণের সমস্য হবে না









   আরও সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে পোষ্টটিতে লাইক দিন এবং শেয়ার করে নিজের টাইমলাইনে রাখুন।



Previous
Next Post »