আমরা প্রতিদিনই শ্যাম্পু বা কন্ডিশনার ব্যবহার করে
থাকি।
কারণ
সকলেই
বিস্বাস করেন,
চুলকে
সুন্দর
এবং
ভাল
রাখতে
শ্যাম্পু ছাড়া সম্ভব নয়। কিন্তু
এই
প্রয়োজনীয় প্রডাক্টটি কেনার
আগে আমরা তেমন ভেবে দেখিনা,
যে
শ্যম্পুটি কিনছি
সেটা
আমার
চুলের
জন্য
ভাল
কিনা।
আর
এই
না
ভেবে
শ্যাম্পু ব্যবহারের ফলে
ভালর
থেকে
খারাপ
হয়
বেশি।
কারণ
চুলের
ধরণ
অনুযায়ী শ্যাম্পু বাছায়
না
করতে পারলে চুলের
স্বাস্থ্যের অবনতি
হতে
শুরু
করে।
শুধু
কি তাই
?
বিশেষ
কিছু
উপাদান
চুলের
জন্য
একেবারেই নষ্ট হয়ে যেতে থাকে। সেইসব
খারাপ উপাদানগুলি যেসব
শ্যাম্পুতে রয়েছে
সেগুলি
ব্যবহার করলে
চুলের বড়ধরণের ক্ষয়-ক্ষতির মাত্রা আরও
বেড়ে
যায়।
তাই
জিনারা
সুন্দর
চুলের
অধাকারি হতে
চান,
তাদের
সকলেরই
এই
বিশেষ টিপস্ পড়ে ফেলা এবং মেনে চলা বুদ্ধিমানের কাজ হবে!
তাহলে
প্রশ্ন
হল
এবার
থেকে
শ্যাম্পু বা
কন্ডিশনার কেনার
পূর্বে
কী
কী
বিষয়
মাথায়
রাখে প্রডাক্ট কিনতে হবে?
এক্ষেত্রে যে
যে
বিষয় গুলি মাথায়
রাখা
প্রয়োজন সেগুলি
হল...................
1. চুলের জন্য সহনিয় শ্যাম্পু ব্যবহার চুলে করতে হবে:
শ্যাম্পু করার
পর
চুল
কী
খুব
রুক্ষ
টাইপের হয়ে যায়
বা
মনে
হয়
চুল
কেমন যেন তৈলাক্ত হয়ে
গেছে?
এরকম
হলে
বুঝবেন
আপনিব্যবহারকৃত শ্যাম্পুটি সঠিক নয়। এক্ষেত্রে ভুলে
গেলে
চলবে
না
যে,
ত্বকের
যেমন
সবার
ত্বকের মত হয়না তেমনী চুলও একই
রকমের
হয়
না।
কারও
হয়
তৈলাক্ত, তো
কারও
রুক্ষ/সুসক্ষ। প্রসঙ্গত, যাদের
তৈলাক্ত চুল
তারা
এমন
শ্যাম্পু বা
কন্ডিশনার ব্যবহার করবেন
যাতে
তেলের
পরিমাণ
কম
আছে বা তৈলাক্ কম করে। অপরদিকে, যাদের
রুক্ষ
চুল
তাদের
এমন
ধরণের শ্যাম্পু ব্যবহার করতে
হবে,
যাতে
তেলের
পরিমাণ
বেশি
রয়েছে বা তৈলাক্ততা বাড়ে। এই
নিয়ম
মেনে
যদি
এই
জিনিসটি ব্যবহার করা
যায়,
তাহলে
কখনও
চুল
নষ্ট হয়ে যাওয়ার
ভয়
কোন থাকবে না।
এই
বিষয়ে
আরেকটি
বিষয়
জেনে
রাখা
ভাল
যে,
স্নান/গোসল করার
পর
যাদের
চুল
জটা/জট
পাকিয়ে
যায়,
তাদের
শ্যাম্পুর পরিবর্তে বেশি
করে
কন্ডিশনার ব্যবহার করা
উচিত হবে। এমনটা
করলে
দেখতে পাবেন চুল
নরম
এবং
তুলতুলে হয়ে
উঠবে,
সেই
সেঙ্গে
সৌন্দর্যও বৃদ্ধি
পাবে।
2.শ্যাম্পুতে কি ঐ সব ক্ষতিকর ক্যামিকেলগুলি নেই তো?
সোজা
কথায় বলতে গেলে শ্যাম্পু হল
এমন
একটি
ক্যামিকেল সমৃদ্ধ
তরল,
যা
চুলকে
পরিষ্কার করতে খুব কাজে
লাগে।
শুনতে
বিষয়টা
যতটা
সহজ
মনে
হয়,
বাস্তবে কিন্তু
অনেক
বেশি
ভযঙ্কর। কারণ
চুলের
ভাল
করবে
এই
ভেবে
আমাদের
মধ্যে
অনেকেই
এমন ধরণের শ্যাম্পু ব্যবহার করে
করছেন
যাতে
এমন
কিছু
ক্যামিকেল এর উপস্থিত রয়েছে যা চুলের
ভাল
করার
পরিবর্তে ক্ষতি
করছে বেশি। তাই
তো
কোন
শ্যাম্পু কেনার
আগে
একবার
জেনে
নেবেন
কী
কী ধরণের ক্যামিকেল তাতে রয়েছে।
যেমন:
যেসব শ্যাম্পুতে অ্যামোনিয়াম সালফেট, সোডিয়াম লরেথ সালফেট, সোডিয়াম ক্লোরাইড, পলিইথেলিন গ্লাইতল, ডাইথেনোসেমিন অথবাট্রাইএথোলেনিনের মতো
উপাদান
আছে
সেই
সব
শ্যাম্পু বা
কন্ডিশনার ভুলেও
ক্রয় করবেন না।
কারণ
এই
সবকটি
উপাদানই চুলের
পক্ষে
ক্ষতিকর। এখানেই
শেষ
নয়,
যে
সব
প্রডাক্ট এর গায়ে বা লেবেলে লেখা থাকে "এই প্রোডাক্টটি যে
কোনও
চুলের বা ত্বকের জন্যই
ভাল"-
এমন
প্রোডাক্টটি কখনই
কিনবেন
না।
এতে ফল বিপরিত হবার সমাভাবনা বেশি
থাকে।
3.প্রয়োজনে দামি শ্যাম্পু কিনুন ঠকবেন না:
শ্যাম্পু করার
সময়
অনেক
ফেনা
হয়,
এটা
নিশ্চয়
খেয়াল
করেছেন?
এই
যে
অনেক ফেনা হয়
তার
জন্য
প্রতিটি শ্যাম্পুতেই এমন
কিছু রাসায়নিক উপাদান
ব্যবহার করা
হয়,
যা
চুলের
স্বাস্থ্যের জন্য
ক্ষতিকর বা একেবারেই ভাল
নয়।
তাবে
দামি
শ্যাম্পুগুলোতে এমন
ক্ষতিকর উপাদানের মাত্রা
সহনিয়
মাত্রায় থাকে,
যেখানে
কম
দামি
শ্যাম্পুতে এই
সব
উপাদানের পরিমান থাকে
খুব
বেশি।
তাই
তো
চুল
ভাল
রাখতে
সব
সময়ই
ভাল
এবং
দামি
শ্যাম্পু ব্যবহারের পক্ষে
সায় দেন বিশেষজ্ঞরা।
4. আপনার শ্যাম্পুতে সালফেট উপাদান নেই তো?
শ্যাম্পু কেনার আগেই ভালো করে দেখে
নেওয়া প্রয়োজন যে, অ্যামোনিয়াম লরেথ
সালফেট
এবং
সোডিয়াম লরেথ
সালফেট
চুলের
জন্য
একেবারেই ভাল
নয়।
এমন উপাদান আছে এরুপ শ্যাম্পু কেনা
উচিত নয়।এই দুটি উপাদান
রয়েছে
এমন
শ্যাম্পু বা
কন্ডিশনার ব্যবহার করলে
চুল
পরা
বেড়ে
যাবে এবং মাথার তালুর ক্ষতি হতে পারে। সেই
সঙ্গে
চুল
রুক্ষ
এবং
সৌন্দর্যহীন বয়বৃদ্ধ হয়ে পরার
আশঙ্কাও থাকে। ভালো করে দেখলে, প্রতিটি শ্যাম্পুর গায়েই
লেখা
থাকে
সেই শ্যাম্পুতে কী
কী
উপাদান
রয়েছে।
সেই
লেখা
পড়েেএবং জেনে নিয়ে সব
সময়
শ্যাম্পু কিনবেন।
5. অতিরিক্ত মাত্রায় শ্যাম্পুর ব্যবহার ভাল নয়:
আমাদের প্রত্যকের চুলেই প্রকৃতিক তেল রয়েছে। সেই কারনেই চুল এত উজ্জ্বল দেখায়। বেশি মাত্রায় শ্যাম্পু করলে প্রকৃতিক তেল একেবারে শুকিয়ে যায় নষ্ট হয়ে যায়। ফলে চুল রুক্ষ এবং বেমানান হয়ে পরে। তাই তো সপ্তাহে ২-৩ বারের বেশি শ্যাম্পু করা উচিত নয়। আরও
মনে রাখা প্রয়োজন, শ্যাম্পু করার ২৪ ঘন্টা আগে মনে করে চুলে তেল মালিশ করবেন। এমনটা করলে শ্যাম্পুর পরেও চুলের স্বাস্থ্যের কোনও অবনতি বা বিরুপ ঘটবে না।
7. প্রাকৃতিক উপাদানে উপর ভরসা করুন:
চুল
ভাল
রাখতে বার বার শ্যাম্পুর ব্যবহার কমাতে
হবে।
তার পরিবর্তে প্রকৃতিক উপাদানকে কাজে
লাগিয়ে
চুল
পরিষ্কার করুন।
এর ফলে
চুল
সুন্দর
থাকবে,
সেই
সঙ্গে
স্কাল্পে ময়লা
জমার
ভয়ও
থাকবে
না।আবার, নারকেল
তেলের
সাহায্যে কিন্তু
ভালো দারুন শ্যাম্পু বানানো যায়।
তবে
এমন
শ্যাম্পু কীভাবে
বানাতে
হয়,
সে
সম্পর্কে অন্য কোন টিপসে দিয়ে দিব।
*আরও সুন্দর সুন্দর টিপস পেতে পোষ্টটিতে
লাইক দিন এবং শেয়ার করে নিজের টাইমলাইনে রাখুন।*





